- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
খাসির মাংস আমাদের বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার।
ঈদ, বিয়ে, দাওয়াত কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে খাসির মাংস না থাকলে যেন জমেই না। আজ আমি শেয়ার করছি আমি যেভাবে ঘরে খাসির মাংস রান্না করি, সেই একদম সহজ কিন্তু অসাধারণ স্বাদের রেসিপি। এই পদ্ধতিতে রান্না করলে মাংস নরম, ঝোল ঘন আর স্বাদ হবে একেবারে রেস্টুরেন্ট স্টাইল!
ঈদ, বিয়ে, দাওয়াত কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে খাসির মাংস না থাকলে যেন জমেই না। আজ আমি শেয়ার করছি আমি যেভাবে ঘরে খাসির মাংস রান্না করি, সেই একদম সহজ কিন্তু অসাধারণ স্বাদের রেসিপি। এই পদ্ধতিতে রান্না করলে মাংস নরম, ঝোল ঘন আর স্বাদ হবে একেবারে রেস্টুরেন্ট স্টাইল!
উপকরণ
-
খাসির মাংস – ১ কেজি
-
পেঁয়াজ কুচি – ৩টি বড়
-
পেঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ
-
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
-
রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
-
টক দই – ½ কাপ
-
কাঁচা মরিচ – ৪–৫টি
-
লাল মরিচ গুঁড়ো – ১½ চা চামচ
-
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
ধনে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
জিরা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
গরম মসলা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
details click
-
তেজপাতা – ২টি
-
দারুচিনি – ২ টুকরা
-
এলাচ – ৩টি
-
লবঙ্গ – ৪টি
-
সরিষার তেল – ½ কাপ
-
লবণ – স্বাদমতো
-
আলু (ঐচ্ছিক) – ৩–৪টি
-
খাসির মাংস – ১ কেজি
-
পেঁয়াজ কুচি – ৩টি বড়
-
পেঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ
-
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
-
রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
-
টক দই – ½ কাপ
-
কাঁচা মরিচ – ৪–৫টি
-
লাল মরিচ গুঁড়ো – ১½ চা চামচ
-
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
ধনে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
জিরা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
-
গরম মসলা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
details click -
তেজপাতা – ২টি
-
দারুচিনি – ২ টুকরা
-
এলাচ – ৩টি
-
লবঙ্গ – ৪টি
-
সরিষার তেল – ½ কাপ
-
লবণ – স্বাদমতো
-
আলু (ঐচ্ছিক) – ৩–৪টি
রান্নার প্রস্তুতি
প্রথমে খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি বড় বাটিতে মাংস নিয়ে তাতে দই, আদা-রসুন বাটা, লাল মরিচ, হলুদ, ধনে ও জিরা গুঁড়ো এবং সামান্য লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।
এভাবে অন্তত ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখলে মাংস নরম হয় এবং ভেতরে ভালোভাবে মসলা ঢুকে যায়। সময় থাকলে ১ ঘণ্টা রাখলে আরও ভালো।
রান্নার ধাপ
১️.পেঁয়াজ ভাজা
একটি বড় কড়াই বা প্রেসার কুকারে সরিষার তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে ফোড়ন দিন।
এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে সোনালি বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এই ধাপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা না হলে মাংসের রং ও স্বাদ ঠিক আসবে না।
২️ .মসলা কষানো
পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে আরও ৩–৪ মিনিট ভাজুন। তারপর মেরিনেট করা মাংস কড়াইতে ঢেলে দিন।
মাঝারি আঁচে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। প্রথমে মাংস থেকে পানি বের হবে। এই সময় ঢাকনা দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন।
এরপর ঢাকনা খুলে আঁচ একটু বাড়িয়ে দিন এবং ভালোভাবে কষাতে থাকুন। তেল আলাদা হয়ে উপরে ভেসে উঠলে বুঝবেন মসলা ঠিকমতো কষানো হয়েছে।
৩️ .আলু যোগ করা (ঐচ্ছিক)
আমি সাধারণত বড় টুকরো করে কাটা আলু হালকা ভেজে নিয়ে মাংসে দিই। এতে ঝোল আরও ঘন ও সুস্বাদু হয়।
৪️ .পানি দিয়ে সেদ্ধ করা
মাংস ভালোভাবে কষানো হলে পরিমাণমতো গরম পানি দিন। আমি সাধারণত ২ কাপ পানি দিই, কারণ আমি মাঝারি ঝোল পছন্দ করি।
প্রেসার কুকারে হলে ৪–৫টি সিটি দিন। কড়াইতে করলে ঢেকে কম আঁচে ৪০–৫০ মিনিট রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দেখবেন যেন নিচে লেগে না যায়।
৫️. শেষ ধাপ
মাংস নরম হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ ও গরম মসলা গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। আরও ৫ মিনিট ঢেকে রেখে চুলা বন্ধ করুন।
৫–১০ মিনিট ঢেকে রাখলে মসলার গন্ধ ভালোভাবে মাংসে মিশে যায়।
পরিবেশন প্রণালি
গরম ভাত, পোলাও, রুটি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। বিশেষ দিনে আমি এটি বাসমতি চালের পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করি।
পরিবেশন করার সময় উপর থেকে সামান্য ঘি দিলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়।
আমার কিছু বিশেষ টিপস
✔️ মাংস কেনার সময় মাঝারি চর্বিযুক্ত টুকরো নিন – এতে স্বাদ বেশি হয়।
✔️ দই ব্যবহার করলে মাংস দ্রুত নরম হয়।
✔️ ধীরে ধীরে কষানোই আসল রহস্য – তাড়াহুড়ো করলে স্বাদ ঠিক আসবে না।
✔️ সরিষার তেল ব্যবহার করলে আসল বাঙালি ফ্লেভার পাওয়া যায়।
✔️ মাংস বেশি শক্ত হলে একটু পেঁপে বাটা ব্যবহার করা যায় (অল্প পরিমাণে)।
🥗 পুষ্টিগুণ
খাসির মাংসে রয়েছে প্রোটিন, আয়রন ও ভিটামিন বি১২। তবে এটি একটু ফ্যাটযুক্ত হওয়ায় পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে যাদের কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে তারা কম তেলে রান্না করুন।



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন